এড. রাসেল রাফি,
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে তাঁর কাজের মাধ্যমে বাংলাদেশের সম্মান বাড়ানোর যে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি দক্ষিণ মেরু চীন সফরে ১৫ হাজার কোটি টাকার বিশ্বমানের মেডিকেল প্রতিষ্ঠান এবং ১২ হাজার কোটি টাকার চারটি মহাসাগরীয় বাণিজ্য জাহাজ ক্রয়ের মতো মেগা প্রকল্পের চুক্তি সম্পন্ন করেছেন। এই প্রকল্পগুলি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। একইভাবে, তিস্তা ব্যারেজের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প এবং ২০২৮ সাল পর্যন্ত মুক্ত বাণিজ্য এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরির চুক্তি, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক দৃঢ়তায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘে ১৪০টি দেশের সমর্থন পাওয়া এবং সেখানে রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা বাড়ানোর বিষয়টি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সহানুভূতি ও মানবিক প্রতিশ্রুতির প্রমাণ। নতুন বাজেটে রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা বৃদ্ধি করে প্রতি জনের জন্য ১২ ডলার অর্থাৎ ১৪৫২ টাকা নির্ধারণ, বাংলাদেশের মানবিক অবস্থানের আরও একধাপ উন্নতি সূচিত করেছে।
আরেকটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বাংলাদেশের রিজার্ভে দীর্ঘ একযুগ পর ২৫ বিলিয়ন ডলার পৌঁছানো। শুধু এই মাসে দেশে আসা ৪ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক শক্তিকে আরও দৃঢ় করেছে।
এখানে বলতে চাই, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বাংলাদেশের সম্মান বাড়ানোর এই সব উদ্যোগের সাথে আমাদের দেশে আরও কার্যকরী নেতৃত্ব ও পরিকল্পনার প্রয়োজন, যেন এ সব সফল উদ্যোগ জনগণের উন্নয়ন ও কল্যাণে সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়। সত্যি, দেশের উন্নতির জন্য কার্যকরী নেতৃত্ব অপরিহার্য, আর আমরা চাই, এমন নেতৃবৃন্দ হোক যারা দেশের সামগ্রিক কল্যাণের জন্য কাজ করে।
ডি/এডরা