দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
দাউদকান্দি উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ মোহাম্মদপুর গ্রামের মনির হোসেনের মেয়ে নদীর নামে গর্ভের সন্তান (ভ্রুন) হত্যার অভিযোগে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন তারই স্বামী জুলহাস মিয়া।
তথ্য সুত্রে জানা যায়, গত মাসের মাঝামাঝি অভিযুক্ত নদীর স্বামী বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলা ও জায়রা জজ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে একটি ভ্রুন হ/ত্যা/র মামলা করেন (মামলা নং ১৮১/২৫)
জানা যায়, গত ৩/৫/২০২৪ তারিখে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হোন। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই স্ত্রী নদীর নামে পরকীয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। বিভিন্ন সময়ে এলাকার সাহেব সরদাররা এ নিয়ে দেন দরবার করেন কিন্তু স্ত্রী নদী এসবের কোনো তোয়াক্কা না করে স্বামীকে রেখে একই সময়ে একাধিক পুরুষের সাথে পরকীয়া চালিয়ে যান।
সেই মর্মে কলরেকর্ড/অডিও/ভিডিও রয়েছে বলে জানা যায়। আরো জানা যায় তার স্ত্রী নদী টিকটক করতেন বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরুষের ইমোতে তার অভিনীত টিকটক পাঠাতেন তারপর তাদের সাথে পরকীয়া ও শারীরিক সম্পর্কে জড়াতেন। নদীর আগেও আরও চারটি বিয়ের হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে
স্ত্রীর অপকর্মের বিযয়ে স্বামী জানতে পারলে স্ত্রী নদী স্বামীর অনুপস্থিতিতে ঘরে থাকা নগদ টাকা ও জিনিস পত্র নিয়ে ভাইয়ের শশুর বাড়ি মালাখালা গ্রামের মসুর মিয়ার বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন বলে জানা গেছে মসুর মিয়ার ছেলে হোসেন মিয়ার সাথে তার অনৈতিক পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে।
আরও জানা যায়, পরকীয়া প্রেমের কারণে স্ত্রী নদীর গর্ভের সন্তান (ভ্রুন) হ/ত্যা/ করে এবং তার স্বামী জুলহাস মিয়াকে তালাক দিয়েছেন বলে শোনা যায়।
এলাকাবাসীর তথ্য মতে জানা যায় নদী একজন দুশ্চরিত্রা, বিবাহ বহির্ভূত শারীরিক সম্পর্কে জড়ান,
বিয়ে হলো তার নেশা ও পেশা। তার এসমস্ত অনৈতিক কর্মকান্ডের কারণে এলাকার যুবসমাজের উপর নেতিবাচক প্রভাব পরবে। এলাকাবাসী ও তার স্বামী জুলহাস মিয়া এই সমস্ত অনৈতিক কর্মকান্ডে বন্ধে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।