যুক্তি ও প্রয়োজনীয়তা
১. যুব সমাজের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতকরণ:
দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ ১৮-৩৫ বছর বয়সী। এ বয়সের জনগোষ্ঠী কর্মক্ষম, উদ্ভাবনী, এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বে অন্তর্ভুক্তি দেশের বাস্তব চাহিদা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হবে।
২. যোগ্যতা বনাম বয়সের বিবেচনা:
নেতৃত্বের জন্য বয়স নয়, যোগ্যতা, জ্ঞান, এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতাই মূল বিবেচ্য হওয়া উচিত। আজকের তরুণরা শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং বিশ্বায়নের মাধ্যমে দ্রুত সক্ষমতা অর্জন করছে।
৩. আন্তর্জাতিক উদাহরণ:
ফিনল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, এবং মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোতে তরুণ নেতৃত্বের সফল উদাহরণ দেখা যায়। সেখানে যুবকরা সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং জাতীয় উন্নয়নে প্রভাব ফেলছেন।
৪. তরুণ নেতৃত্বের সুফল:
তরুণ নেতৃত্ব দেশের শিক্ষাব্যবস্থা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি খাতে উদ্ভাবন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ ও সমাধান
অভিজ্ঞতার অভাব:
তরুণদের রাজনৈতিক নেতৃত্বে আনার আগে তাদের জন্য প্রশিক্ষণ, দিকনির্দেশনা এবং রাজনৈতিক নীতির ব্যাপারে দক্ষতা অর্জনের ব্যবস্থা করতে হবে।
জনগণের আস্থা:
জনগণের আস্থা অর্জন করতে হলে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং তরুণদের সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
উদাহরণ
ভারতে ২১ বছর বয়সে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থিতা গ্রহণযোগ্য। সেখানে তরুণ প্রার্থীরা স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। এ ছাড়া ইউরোপের বেশ কিছু দেশেও ন্যূনতম বয়স কমিয়ে যুব নেতৃত্বের অগ্রগতি নিশ্চিত করা হয়েছে।
উপসংহার
এমপি হওয়ার বয়স ২১ বছরে নামিয়ে আনা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হতে পারে, যা তরুণদের মধ্যে নেতৃত্ব বিকাশের পথ সুগম করবে। এটি শুধু গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে না, বরং দেশের উন্নয়নের গতি বাড়াবে। সঠিক নীতি ও প্রস্তুতির মাধ্যমে এ সুপারিশ কার্যকর করা গেলে তা সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য হবে এবং দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে আরও গতিশীল করবে।
[contact-form][contact-field label="Name" type="name" required="true" /][contact-field label="Email" type="email" required="true" /][contact-field label="Website" type="url" /][contact-field label="Message" type="textarea" /][/contact-form]